অনন্য মামুন বোমফাটানো স্ট্যাটাস শাকিব খানকে নিয়ে!

গতাকাল রাতে আলোচিত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন তার ফেসবুকে স্ট্যাটাসে শাকিব কে নিয়ে লিখেছেন  শাকিবের ছবির ব্যাবসা ও পারিশ্রমিক কি হতে পারে তা নিয়ে আজকে মিডিয়া ভুবন২৪.কম হুবহু তুলে ধরা হয়েছে ।

কথা গুলো না বলে থাকতে পারলাম না..সঠিক কথা গুলো সবার জানা উচিত..একটি সিনেমা যখন বানানো হয় তখন কিভাবে সেটার টাকা ফেরত আসবে সেটাও প্ন্যান করতে হয়..মোটামুটি তিনটি মাধ্যম থেকে সিনেমার টাকা ফেরত আসতে পারে. ১. হ’লের ব্যবসা থেকে ২. টেলিভিশনে প্রচার করে ৩. ডিজিটালের বিভিন্ন মাধ্যম থেকে. সেই বিবেচনায় সাকিব খানের মুভির কোলতারার সিনেমা হলের বাজার এখন সেই ভাবে তৈরি হয়নি, সামনে হতে পারে। আর টেলিভিশন ও ডিজিটালের বিভিন্ন মাধ্যমে মার্কেট খুব বেশি হলে ৫০ লাখ। তাহলে ব্যাপার দাড়ালো আপনাকে সাকিব খানকে দিয়ে সিনেমা বানিয়ে টাকা তুলতে হলে বাংলাদেশের সিনেমা হলের ব্যবসা দিয়ে তুলতে হবে। এবার বাংলাদেশের সিনেমা হলের ব্যবসা নিয়ে কথা বলা যাক। অধিকাংশ হ’লে যে টাকায় টিকিট বিক্রয় হবে শর্ত অনুযায়ী ৫০% আপনি পাবেন না। ২০০ টাকা টিকিট বিক্রয় করলে আপনি পাবে ৩২ টাকা। পৃথিবীর আর কোন দেশে এ রকম আজব সিস্টেম আছে কি না আমার জানা নেই। এবার একটা সহজ হিসাব করা যাক। ধরে নিলাম ১০০ হ’লে একজন প্রযোজক সাকিব খানের সিনেমা মুক্তি দিলেন তিনি কত টাকা পাবেন? ১০০ হ’লে মুক্তি দিলে নরমাল সময় হলে আনুমানিক ১,৩০,০০০০০/- ( ১.৩ কোটি) টাকা পাবেন। ঈদ হলে ১,৮০,০০০০০/- ( ১.৮) টাকা। মুক্তিতে এত টাকা খুশি হবার কথা? আর এটাই কিন্তু নিউজ হয়। কোটি কোটি টাকার ব্যবসা সাকিব খানের সিনেমাতে। এবার হিসেবটা মেলানো যাক প্রযোজক আসলে কত টাকা পেলেন? ? ১০% বুকার কমিশন, মোটামুটি ২ সপ্তাহের মেশিন ভাড়া ১৬,০০০০০/-, ১০০ হ’লের জন্য পোস্টার ব্যানার ও প্রচার প্রচারণার ১৫,০০০০০/-। মানে দাড়ালো ১,৩০,০০০০০/- টাকার কালেকশন হলে প্রযোজক পাবেন ৮০ লাখ, আর ১,৮০,০০০০০/- কালেকশন হলে পাবেন ১ কোটি ১০ লাখ। অবাক হলেন! আরও অবাক করা ব্যাপার হলো ৮০ লাখ বা ১ কোটি ১০ টাকার ব্যবসা করা সিনেমার হ’লে টিকি বিক্রয় হয়েছে কিন্তু আনুমানিক ৩ কোটি বা ৪ কোটি টাকার। মানে দাড়ালো ৪ কোটি টাকার ব্যবসা করা সিনেমার
প্রযোজক পেলেন ৮০ লাখ টাকা। সাকিব খানকে নিয়ে একটি ভালো সিনেমা বানাতে হলে আনুমানিক ৪ কোটি টাকা দরকার। বর্তমান বাজারে সিনেমাটা সুপার হিট হলে হ’ল থেকে খুব বেশি হলে ১ কোটি ৫০ লাখ, সাথে ডিজিটাল ও টিভি রাইটস্ মিলিয়ে ৫০ লাখ। সর্ব মোট ২ কোটি টাকা। ২ টাকা লোকসান এটা নিশ্চিত। তাহলে কেন একজন প্রযোজক সিনেমা বানাবেন। তবে সাকিব খানের সব দোর্ষ তা কিন্তু নয়। ২ কোটি আয় করা সিনেমা টা কিন্তু হ’লে টিকিট বিক্রয় করেছে ৬ কোটি টাকার। এটা তো গেলো টাকার হিসাব। তারপর কত জটিলতা, প্রশসানিক বাধা, সিনেমা প্রর্দশনে বাধা। অশোক ধানুকা এ কথা গুলোই বলতে চেয়েছেন, যে বাংলাদেশের সিনেমা ব্যবসার জটিলতা ও প্রশাসনিকর সমস্যার সমাধান না হলে উনি আর বাংলাদেশ মার্কেটের চিন্তা করে সিনেমা বানাবেন না। সেটার কত রকম ব্যাখা হলো। আর একটা কথা উনাকে আমি পাপা বলে ডাকি বলে অনেকর অনেক সমস্যা। কথা কিন্তু সত্যি উনি আমার পাপা। কারণ ২০০৭ সালে কঠিন এক বিপদের সময় ভিন দেশি মানুষ হিসাবে যেভাবে আমাকে সাহায্য করে ছিলেন তার প্রতিদান আমি কোন দিন দিতে পারবো না..শেষ কথা হলো, চলচ্চিত্র ও রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। আর ২ কোটি টাকা আয় করা সিনেমার হ’লে টিকিট বিক্রয় হয় ৬ কোটি টাকা।

Check Also

অপুর্ব কে রেখে অন্তুর ভালোবাসায় মেহজাবিন?

মিডিয়া ভূবন২৪- আগামী ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে  ভালোবাসার নাটক নির্মাণ করেছেন বি ইউ শুভ …