ধারাবাহিক নাটক ‘নানা রঙের মানুষ’

এটিএন বাংলায় আজ (৪ নভেম্বর) রাত ৮টায় সম্প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘নানা রঙের মানুষ’। ধারাবাহিকটি রচনা করেছে আহসান আলমগীর। পরিচালনা করেছেন মজিবুল হক খোকন। অভিনয় করেছেন নাদিয়া, নীলয়, শ্যামল মাওলা, অর্ষা, সম্রাট, তানভীর, তানিয়া সুলতানা স্নেহা, শবনম পারভীনসহ আরো অনেকে।
এই নাটকের মুল দুটো চরিত্র আলাল ও দুলাল। তারা যখন যেখানে যাবে সেখানেই গল্প তৈরি হয়। আলাল দুলাল অতি চালাক দুই বন্ধু। তারা নিজেদের খুবই চালাক মনে করলেও তাদের কর্মকান্ড দেখলে বোঝা যায় তারা আসলে অতি বোকা। দু’জনেই নিজ নিজ বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। অনেক বছর ধরেই তারা এসএসসি পরীক্ষার্থী। আদু ভাইয়ের আধুনিক সংস্করণ। এই পর্যায়ে তারা স্কুল থেকে বহিষ্কার হয়। তাদের এক ক্লাসমেট যে এখন আইনজীবী তার পরামর্শে তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঠুকে দেয় মামলা, ঘটনা মোড় নেয় অন্য দিকে।
বোকা হওয়ার কারনে এরা ভয়ে নানান হাস্য রসাত্মক ও ভুল তথ্য দিয়ে হয়রান করে ফেলে গোয়েন্দা টিমকে। অনেক ঘটনার পরিক্রমায় সন্ত্রাসী গ্র“পের এক সদস্য ধরা পড়ে। মুখোমুখী করে আলাল ও দুলালের। ঐ সন্ত্রাসীই চিহ্নিত করে এই আলাল দুলাল আসল আলাল দুলাল নয়। অবশেষে ছাড়া পায় আলাল দুলাল। একদিন আলালের পরিচয় হয় পাশের গ্রামের মনির সাথে। আলাল দুলালকে বোকা মনে হলে মনিকে মনে হবে বোকা প্লাস। আলালের সাথে মনির প্রেম হয়ে যায়। ঘটনা চক্রে দুলালের সাথে প্রেম হয়ে যায় মনির যমজ বোন মুক্তার। আলাল দুলালের কর্মকান্ডে মনি-মুক্তা মহা বিরক্ত। অবশেষে মনি মুক্তার পরামর্শে আলাল দুলাল ডিসেশান নিয়েছে তারা ব্যবসা করবে। ব্যবসায়িক কোন জ্ঞান না থাকলেও তারা একটি দোকান শুরু করে। কম্পিটিশন করে কম মুল্যে পন্য বিক্রি করতে গিয়ে লাভের পরিবর্তে লস দিতে শুরু করে দুজন। একে একে তাদের পুঁজি শেষ হয়ে যায়। দুইজন বেকার হয়ে পড়ে। এনজিও করে তাদের মাথায় কঠাল ভেঙ্গে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বাবুল। রাতের অন্ধকারে আলাল দুলাল পালায়। আলাল দুলাল শহরে এসে একটি বাড়ি ভাড়া করে। আলাল-দুলাল চাকুরী নেয়। কিন্তু প্রথম দিনেই সেখানে বিপত্তি বাধে। আবারো পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে দুজন। এভাবে নানান হাস্য রসাত্মক ঘটনা নিয়ে এগিয়ে চলে আলাল দুলাল নাটকের কাহিনী।

Check Also

মনোনয়ন পত্র কিনেছেন নায়ক ফারুক

গাজীপুর-৫ আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচন করতে চান ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক …