জীবনটাই তাঁকে উৎসর্গ করে রেখেছি-মাহফুজ আহমেদ

humayun(মুঠোফোনের অপর প্রান্তে কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর) আসলে উনার (হ‌ুমায়ূন আহমেদ) সম্পর্কে বলতে গেলে আমি চুপ হয়ে যাই। মানে ব্ল্যাকআউট।

আসলে কী বলবো। এত কথা। এত স্মৃতি। এত আবেগ। কোনটা থেকে শুরু করবো। আবার ভাবি, চুপ থাকাই শ্রেয়। অনেকেই তো বলে যাচ্ছে ক্রমাগত।

মনে পড়ে, এক বিকালে স্যার আমাকে বই মেলায় নিয়ে যান। অন্যমেলার স্টলে। হাতে তুলে দেন তার নতুন বই, ‘এই মেঘ রৌদ্রছায়া’। মলাট উল্টাতেই চমকে উঠি। কারণ, আমি মোটেও এর যোগ্য নই। স্যার, আসলে তার প্রিয় মানুষদের এভাবে চমকে দিতে কিংবা অপ্রস্তুত করে দিয়ে মজা পেতেন।

সেদিনের সেই উৎসর্গপত্রের প্রতিটি অক্ষর দাঁড়ি কমা আমার চোখে আজও স্পষ্ট ভাসে। তিনি সেখানে যা লিখেছেন, তার পুরোটাই বাস্তব। এবং সেটি পড়ে প্রথম আমি অনুভব করলাম- এই মানুষটার হৃদয় কত বড় আর আমাকে তিনি ঠিক কতটা ভালোবাসেন। আমার প্রতি উনার যে ভালোবাসা সেটার আসলে কোনও সীমানা নাই।

‘এই মেঘ, রৌদ্রছায়া’ উপন্যাসের উৎসর্গপত্রে তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, ছবি পাড়ায় আমার ছোট্ট একটা অফিস আছে। সেই অফিসে রোজ দুপুরবেলা অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ উপস্থিত হয় এবং হাসিমুখে বলে, ভাত খেতে এসেছি। সে আসলে আসে কিছুক্ষণ গল্প করার জন্যে। ইদানীং মাহফুজ খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। দুপুরবেলা তার হাসিমুখ দেখতে পাই না। মাহফুজ কি জানে, প্রতিদিন দুপুরে আমি মনে মনে তার জন্যে অপেক্ষা করি?

Check Also

Kishor

কিশোর কনার নতুন গান ইউটিউবে ‘খুশির দিন’

ইউটিউবে প্রকাশ হয়েছে এই প্রজন্মের জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী কনা ও কিশোরের কণ্ঠে গাওয়া নতুন গান …